নিজস্ব প্রতিবেদক-

পদ্মা সেতু ঘিরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দেড়শতাধিক এসি ও নন এসি নতুন বাস নামানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মাদারীপুরের পরিবহন ব্যবসায়ীরা। 
এরইমধ্যে অধিকাংশ বাসের ফিটিংও শেষে হয়েছে। চলছে রংতুলির কাজ। এই খবরে খুশি যাত্রী ও চালকরা। 
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিবহন ব্যবসায় আধুনিক সেবা দেয়ার লক্ষে প্রথম ধাপে নতুন করে বিনিয়োগ করা হবে অন্তত ১শ’ কোটি টাকা।
উল্লেখ্য, আগামী ২৫ জুন চালু হচ্ছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এতে সড়ক পথে বিরতি ছাড়াই সরাসরি রাজধানী ঢাকার সাথে যাতায়াত করতে পারবেন দক্ষিনাঞ্চলবাসী। 
যাত্রীদের সুবিধার্থে মাদারীপুর জেলা থেকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে নামবে অন্তত দেড় শতাধিক এসি ও নন এসি আধুনিক নতুন বাস। এরইমধ্যে নামীদামী কোম্পানীর বাসগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে মাদারীপুরে এসে পৌঁছেছে। বাসগুলো ফিটিং করতে শ্রমিকরা দম ফেলার ফুসরত পাচ্ছেন না । শহরের ১২টি কারখানায় দিনরাত কাজ করছেন তারা। শ্রমিকদের প্রত্যাশা সেতু উদ্বোধনের আগেই যাত্রীসেবার জন্য প্রস্তুত হবে বাসগুলো। বাসগুলো সড়ক দিয়ে যাতায়াত করলে যাত্রা আরামদায়ক হবে বলে মনে করছেন যাত্রীরা। আর চালকরা বলছেন, একাধিক ট্রিপ হলে বাড়বে আয়। যাত্রীদের আধুনিক ও মানসম্মত সেবা দিতে পারলে পরিবহণ ব্যবসায় 
নতুন দিগন্তের সূচনা ঘটবে এমনটাই জানালেন পরিবহন ব্যবসায়ী ও বাস মালিক সমিতির নেতারা।
এ রুটের যাত্রী নুসরাত জাহান তমা বলেন, মাদারীপুর থেকে রাজধানী ঢাকার দুরুত্ব ১১০কিলোমিটার।এইপথে ঘাটে ঘন্টার পর ঘন্টা দুর্ভোগ পোহাতে হতো। এ  থেকে পরিত্রাণ মিলবে পদ্মা সেতু চালুর ফলে। এজন্য পরিবহনে আধুনিক সেবা পেলে যাত্রা আরামদায়ক হবে।
সার্বিক পরিবহনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বাবু জানান, পদ্মা সেতু চালু হলে সড়কে কোন ভোগান্তি থাকবে না। যাত্রীদের আরামদায়ক সেবা দিতে সড়কে আধুনিক এসি ও নন এসি বাস নামাবে সার্বিক পরিবহন। বেশকিছু বাস তৈরীও হয়েছে। 
চন্দ্রা পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাহিদুজ্জামান অমিত ভূইয়া জানান, মাদারীপুর থেকে ঢাকা সড়ক পথে কোন এসি বাস সার্ভিসনেই। তাই যাত্রীদের সুবিধার্থে এসি বাস নামানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়ে কাজ চলছে। এতে যাত্রীরা মানসম্মত সেবা পাবে।
মাদারীপুর জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান হাওলাদার জানান, জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতি শুধু বাংলাবাজার (কাঁঠালবাড়ি) ফেরিঘাট পর্যন্ত সেবা দিতো। এখন পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে রাজধানী ঢাকাতেও যান চলাচলের সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে আয়ও বাড়বে । পরিবহন খাতে আসবে আধুনিকতার ছোঁয়া।