নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদপুরের আওয়ামী লীগের অনেক নেতারা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাও বিব্রত হয়ে পড়েছেন এক ব্যক্তির কারণে। তিনি হচ্ছেন জাফর ইকবাল ওরফে মুন্না। এক সময়ে এই মুন্না চাঁদপুর পৌর এলাকার বেশ জনপ্রিয় যুবনেতা ছিলেন। কারণ, শিক্ষামন্ত্রীর ফরমায়েশ পালন, সাক্ষাৎ অথবা সুপারিশের প্রয়োজন হলেই একমাত্র মাধ্যম হয়ে ওঠে মুন্না। চাঁদপুর পৌরসভার আদালতপাড়ার মৃত আব্দুর রবের ছেলে জাফর ইকবাল ওরফে মুন্না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউপি চেয়ারম্যানপ্রার্থী জানান, আগামীতে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে মন্ত্রীর সাথে দেখা করতে আছি। এসময় এ মুন্না দলীয় মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার জন্য মোটা অংকের হাদিয়া দাবি করে। অন্যর্থায়, জামায়াত-বিএনপির সমর্থনের কর্মী বলে মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ ও ভয় দেখান। অপরদিকে, সহজ-সরল নেতা-কর্মীদের চেয়ারম্যান বানানোর ব্যবস্থা করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে বিভিন্ন তদবির করে লজ্জিত হয়েছে বলে তথ্য রয়েছে। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাকে সচিব করার প্রতিশ্রুতি করেছেন। আর সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করলেও মন্ত্রীর নিকট বিভিন্ন কারণে নালিশ হয় না। শিক্ষা প্রকোশলী বিভাগের একজন উচ্চ পদস্থ ইঞ্জিনিয়ার সহযোগিতায় বিভিন্ন ধরনের টেন্ডার পেয়ে থাকেন। সর্বোচ্চ টার্গেট ১০/১৫ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠনের পরেই চাঁদপুরের পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন করবেন এই মুন্না বলে অনেকেই জানান। শিক্ষামন্ত্রীর কর্ম প্রচেষ্টাকে প্রশ্নবিদ্ধ যেন না পারে এই জাফর ইকবাল ওরফে মুন্না। সুশীল সমাজ তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।