নিজস্ব প্রতিবেদক:

মীরাক্কেল শো’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের কাছে সুপরিচিত মুখ কলকাতার মীর আফসার আলী ঢাকায় এসেছেন। তবে কোনো শো বা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে নয়, দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকায় এসেছেন ‘খাওয়া দাওয়া’ করতে!

মীর কয়েকজন ভোজন রসিক নিয়ে তৈরি করেছেন ‘ফুডকা’ নামে একটি খাওয়াদাওয়ার কমিউনিটি। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ঘুরে ঘুরে ‘ফুডকা’ মজার মজার সব খাবারের ভ্লগ তৈরি করে থাকে তারা। সেই ধারাবাহিকতার এবার এলেন বাংলাদেশে।মীর তার ‘ফুডকা’ নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ঘুরে ঘুরে খাচ্ছেন। সেগুলো তার ফ্যান পেজে শেয়ার করছেন। শনিবার গিয়েছিলেন মাওয়া ঘাটে। সেখানে টাটকা ইলিশ খেয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলেছেন। সেই ছবিও পোস্ট করেছেন ফ্যান পেজে।রোববার দুপুরে তাকে দেখা গেল, শহীদ মিনার ঘুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ঘুরতে। সেখানে তিনি ঘণ্টা দেড়েক ছিলেন। আড্ডার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালর চত্বর, টিএসসি ঘুরেছেন। সময় কাটিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে।বিশেষ করে টিএসসিতে ঝাল-তেঁতুলের চা, ভেলপুরি, আঁচার খেয়ে মীর তৃপ্তি কথা জানিয়েছেন ফেসবুক লাইভে। রাস্তার স্ট্রবেরি ভর্তা খেয়ে অতুলনীয় স্বাদ পেয়েছেন বলে জানান মীর। তিনি বলেন, এই ধরণের স্ট্রবেরি ভর্তা কোথাও কখনও খাইনি।

মীর আরও বলেন, ২০১২ সালে প্রথম ঢাকায় এসেছিলাম। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ঢাকায় আসি। পরে করোনার কারণে আর আসতে পারেননি।প্রথম ঢাকায় এসে ঢাবি তে এসেছিলেন। ফুডকা থেকে বহুদিনের ইচ্ছে ছিল বাংলাদেশ আসা। সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। ফুডকার কার্যক্রম গত ৫ বছর ধরে চালাচ্ছি। নিজেদের টাকায় বিভিন্ন জায়গা ঘুরে ঘুরে খেয়ে বেড়াচ্ছি। ঘোরাঘুরিও হয় সেই সাথে খাওয়াদাওয়া জমে যায়।

মীরের ফেসবুক লাইভের মন্তব্যে শতশত বাংলাদেশী তাকে বিভিন্ন প্রশংসার মন্তব্য জানাচ্ছেন। কেউ কেউ এ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন খাবার ও স্থান মেনশন করে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন।

ঢাবি শিক্ষার্থী রিফাত জাহান শাওন বলেন, মীর ভাই ঘণ্টা দেড়েক ছিলেন। পুরো ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেছেন। অনেকেই তার সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন, সময় কাটিয়ছেন এবং ছবি তুলে খুব এনজয় করেছেন।

মীরাক্কেল রিয়্যালিটি শো-টি পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বাংলাদেশেও তুমুল জনপ্রিয়। শো-টির কয়েকটি সিজনে বাংলাদেশ থেকে একাধিক প্রতিযোগী চূড়ান্ত পর্বে লড়েছিলেন। অনেকেই মিরাক্কেলের মঞ্চ থেকে এসে তারকা বনে গেছেন। তার মধ্যে আছেন আবু হেনা রনি, হৃদয়, জামিল, পাভেল, আরমান প্রমুখ।

মীর বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রচুর মানুষ প্রতিনিয়ত ভালোবাসা জানায়। মীরকেল্ল শো জনপ্রিয় হওয়ার নেপথ্যে বাংলাদেশের মানুষের অনেক অবদান আছে। এখানকার মানুষের ভালোবাসায় আমি সবসময় সিক্ত হই।