জবি প্রতিনিধিঃ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ১৪ তম ব্যাচের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আকিব হায়দার ইমন বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশনের সহকারী কোচ হিসেবে মনোনয় পেয়েছেন। গত ১৯ জুন জুডো ফেডারেশন এর সাধারণ সম্পাদক কামরুনাহার হিরু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় গত ১৫ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারীতে অনুষ্ঠিত জুডো প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষকদের মধ্য হতে এন এস সি টাওয়ার ও বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য জনাব আকিব হায়দারকে সহকারী প্রশিক্ষক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
আকিব হায়দার ইমন বলেন, প্রথমে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি এবং ধন্যবাদ জানাচ্ছি বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কামরুন নাহার হীরু এবং জুডো ফেডারেশনের সকল কার্যনির্বাহী সদস্যদের। কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমার বাবা মায়ের প্রতি যাদের দোয়ায় আজ আমি এতদূর আসতে পেরেছি। “Judo for peace”-জুডো শান্তির জন্য, জুডো আজ অনেক দূর এগিয়ে অলসতাকে দূরে ঠেলে দিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে দৃঢ়মনোবলের সাথে নিজেকে জুডো প্রশিক্ষনের মাধ্যমে আরো আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।
ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার গুরু বি কে এস পি কোচ আবু বকর সিদ্দিক, ফারহানা হালিম,জাহাঙ্গীর আলম রনিকে তারাই আমার সুপ্ত জুডো প্রতিভার কারীগর।
সেই সাথে সাথে সকলের কাছে দোয়া চাই আমি যেন আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি।

তার এমন সাফল্যে মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আকরাম উজ্জামান বলেন,আমরা অনেক অনন্দিত এবং উচ্ছ্বাসিত যে বিভাগে যেমন অর্জন তেমনি বাইরে সে আমাদের বিভাগের একটা ব্রান্ড। আমাদের বিভাগের একজন শিক্ষার্থী এমন বড় একটা পর্যায়ে প্রশিক্ষক হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছে আমরা বিভাগের পক্ষ থেকে সকল শিক্ষকদের পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন জানাই তার সাফল্য কামনা করি। আশা রাখছি ভবিষ্যতে তার মাধ্যমে আমাদের বিভাগ উপকৃত হবে।

আকিবের এমন সাফল্যে ১৩ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাসেল মাহমুদ বলেন, আমার ডিপার্টমেন্টের গর্ব,আকিব হায়দার ইমন জুডো ফেডারেশনের সহকারী কোচ হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হওয়ায় আমি খুব আনন্দিত। আমি আকিবের উত্তর উত্তর সাফল্য কামনা করছি।

জবি শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের ডেপুটি ডিরেক্টর গৌতম দাস বলেন, আমাদের শিক্ষার্থী আকিবের এমন সাফল্যে আমরা খুবই আনন্দিত আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিকেট ফুটবল, দাবা , টেনিস এসব খেলার সুযোগ থাকলেও জুডো খেলার সুযোগ নেই তবুও এত সীমাবদ্ধতার মাঝে সে নিজেকে অনেকগুলো ধাপ পারি দিয়ে এমন একটা সাফল্যের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে এতে তারই অবদান। ভবিষ্যতে তার মাধ্যমে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ আরো উজ্জ্বল হোক সেই কামনা করছি।